শুরুটা যেমন হয়েছে, তাকে মোটেও ‘ভালো’ বলার উপায় নেই। তবু এই ম্যাচ নিয়ে আশা ছিল, কারণ উইকেটে লিটন দাস ছিলেন। শুধু ছিলেনই না, বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই খেলছিলেন। ব্যাট হাতে ঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন। তবে সেটা পুরোপুরি ঝড়ে রূপ পেল না বেরসিক বৃষ্টির সুবাদে।
মিরপুরের বহু দিন ধরে দর্শকের দেখা মিলছিল না। একটা সময় যে গ্যালারি উপচে পড়ত দর্শকদের ভিড়ে, সেই গ্যালারিই খা খা করত খরায়। সে দৃশ্যটা বদলে গিয়েছিল আজ। অনেক দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন গ্যালারিতে, বাইরের দিকে বুথেও ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়।
তাদেরকে সামনে রেখে বাংলাদেশ শুরুটা ভালো করলেও হঠাৎই যেন পথ হারায়। ১০ বলে ১৬ করা সাইফ হাসান ১১তম বলে বিদায় নেন। কিছু পরে টানা ২ বলে তানজিদ হাসান তামিম আর পারভেজ হোসেন ইমন যখন বিদায় নিলেন, তখন ঘোর বিপদের প্রমাদই গুণছিল বাংলাদেশ।
সাইফ হাসানের বিদায়ের পর উইকেটে এসেই লিটন প্রতি আক্রমণ শুরু করে দিয়েছিলেন। জেডেন লেনোকে বাউন্ডারি মেরে শুরু করেছিলেন, এক বল বিরতি দিয়ে হাঁকালেন ছক্কা। ওপাশে পরপর দুই বলে দুই সতীর্থকে বিদায় নিতে দেখে একটু খোলসে ঢুকে গিয়েছিলেন যেন।
পাওয়ারপ্লের শেষ দিকে আবার ছন্দে ফেরেন, বেন সিয়ার্স আর ইশ সোধির বলে তুলে নেন দুটি বাউন্ডারি। ১৩ বলে ২৫ রান নিয়ে যখন বড় ইনিংসের আভাস দিচ্ছেন, তখনই নামে বৃষ্টি। খেলা বন্ধ হয়ে যায় সঙ্গে সঙ্গে।
এই অবস্থায় বৃষ্টিতে আর খেলা শুরু না হলে ম্যাচ পরিত্যক্ত হবে। আর ৫টা ৪৮ মিনিটের আগ পর্যন্ত আম্পায়াররা অপেক্ষা করবেন। তার আগে বৃষ্টি থেমে গেলে খেলা শুরু হবে।
টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচের ফলের জন্য ৫ ওভার অপেক্ষা করতে হয়। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ৬.৪ ওভার খেলে ফেলেছে, ফলে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে নামানোর চিন্তা বাদ দিয়েও আম্পায়াররা ম্যাচের সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নামবে শুধু।


